
নাস্তায় কিংবা অফিসের ব্রেকে, এনার্জি বুস্ট করুন -পিনাট বাটারে।
চিনাবাদাম ও বাছাইকৃত সেরা মধুর সংমিশ্রণে তৈরি একটু বেশিই হেলদি এই পিনাটবাটার থাকুক আপনার নাস্তার টেবিলে।
-
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
-
ব্রেইনকে করবে আরো বেশি শার্পার
-
পিনাট বাটারে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায়
-
রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা পেশী গঠনে ভূমিকা রাখে
- নতুন কোষ, হরমোন ও এনজাইমের গঠন-মেরামতিতে পিনাট বাটারের জুড়ি মেলা ভার। ৪০০ গ্রাম পিনাট বাটার থেকে ১০০ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। পিনাট বাটারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন৷ যা শরীরের পেশি গুলির বিকাশে সহায়তা করে৷ তাই সবার রোজকার খাবার তালিকায় পিনাট বাটার থাকলে খুবই ভালো৷ শরীর অনেক বেশি অ্যাক্টিভও থাকে৷
- খেলাধূলোর সঙ্গে যুক্ত যাঁরা, তাঁরা যদি নিয়মিত *পিনাট বাটার খাওয়ার অভ্যাস করেন, তাহলে বাড়তি এনার্জি তো পাবেনই, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে৷
- পিনাট বাটার বা চিনাবাদামের মাখন খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে রয়েছে নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান যেমন প্রোটিন, ফাইবার, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, নিয়াসিন, ভিটামিন ই ও ভিটামিন বি-৬ ইত্যাদি।
- এতে আছে প্রোটিন, ফাইবার ও ফ্যাট যা আপনার রক্তে সুগার লেভেলে তেমন কোনও প্রভাব ফেলবে না। ফলে ডায়াবেটিস থাকবে নিয়ন্ত্রণে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অনেক দিন যাবত ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের ম্যাগনেসিয়াম লেভেল কমে যায়। পিনাট বাটারে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে সুতরাং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব ভালো একটি খাবার এটি।
- অনেকেই দিন দিন ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়ে খুব চিন্তায় আছেন। আপনার চিন্তার অবসার পারে চিনাবাদামের মাখন। কারণ এতে থাকা ফাইবার ও প্রোটিন ক্ষুধা কমিয়ে ওজন কমাতে দারুণ ভূমিকা পালন করে।
- পিনাট বাটারে উপস্থিত মনো ও পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, নিয়াসিন, ভিটামিন-ই এবং ম্যাগনেসিয়াম হৃদরোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কেউ যদি নিয়মিত পিনাট বাটার খায় তাহলে তার লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি হবে।
- যারা বডি বিল্ডিং করেন, তাদের জন্য দারুণ এক টনিক হলো পিনাট বাটার। এতে উপস্থিত প্রোটিন পেশী গঠনে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া এই বাটারে থাকা উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত ফ্যাট দেহ গঠনে অংশগ্রহণ করে। ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে পিনাট বাটার।